🕑 ৪:৪৯ অপরাহ্ন, ৪ আগস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার
বিজ্ঞাপন
শিরোনাম :
বেগমগঞ্জে বাড়িতে হামলা, নারী নির্যাতন ও স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের অভিযোগ নোয়াখালীতে বাকপ্রতিবন্ধী যুবতীকে ধর্ষণ, ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা নোয়াখালীতে ইসলামী মহাসমাবেশের প্রস্তুতি সম্পন্ন, অংশ নেবেন লক্ষাধিক মানুষ লতিফ সিদ্দিকীকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে আজ আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এমবোলোর লাল কার্ড ভুল ছিল, স্বীকার করল আইএফএবি নোয়াখালীতে নতুন গ্যাসকূপের খনন শুরু করেছে বাপেক্স প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করেন ফটোগ্রাফার নামিন, অতঃপর… পরীমণির কাছে সাকিব আল হাসানের হার! পর্নোগ্রাফি মামলায় বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার অস্ত্রের আস্তানায় র‍্যাবের হানা, আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৫ বেগমগঞ্জে বাড়িতে হামলা, নারী নির্যাতন ও স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের অভিযোগ নোয়াখালীতে বাকপ্রতিবন্ধী যুবতীকে ধর্ষণ, ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা নোয়াখালীতে ইসলামী মহাসমাবেশের প্রস্তুতি সম্পন্ন, অংশ নেবেন লক্ষাধিক মানুষ লতিফ সিদ্দিকীকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে আজ আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এমবোলোর লাল কার্ড ভুল ছিল, স্বীকার করল আইএফএবি নোয়াখালীতে নতুন গ্যাসকূপের খনন শুরু করেছে বাপেক্স প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করেন ফটোগ্রাফার নামিন, অতঃপর… পরীমণির কাছে সাকিব আল হাসানের হার! পর্নোগ্রাফি মামলায় বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার অস্ত্রের আস্তানায় র‍্যাবের হানা, আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৫
সারাদেশ

সন্তানসহ সুগন্ধা নদীতে মায়ের ঝাঁপ, স্থানীয়দের চেষ্টায় প্রাণরক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদকনিজস্ব প্রতিবেদক | | ৪৫ বার পঠিত
সন্তানসহ সুগন্ধা নদীতে মায়ের ঝাঁপ, স্থানীয়দের চেষ্টায় প্রাণরক্ষা
ছবি: সংগৃহীত

ঝালকাঠির নলছিটিতে পারিবারিক কলহের জেরে পাঁচ বছর বয়সী মেয়েকে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন এক মা। তবে স্থানীয়দের তাৎক্ষণিক ও সাহসী তৎপরতায় মা ও শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।


শুক্রবার (১০ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে নলছিটি ফেরিঘাট এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে।


উদ্ধার হওয়া ওই নারীর নাম লাকি আক্তার। তিনি নলছিটি শহরের আদম আলীর ছেলে সাইদুল ইসলামের স্ত্রী ছিলেন।


প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, লাকি তার মেয়েকে নিয়ে নলছিটি ফেরিঘাট এলাকা থেকে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন। বিষয়টি দেখতে পেয়ে আশপাশের লোকজন দ্রুত নদীতে নেমে উদ্ধার অভিযান চালায়। পরে মা ও মেয়েকে জীবিত উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।


লাকি আক্তার জানান, বিয়ের পর থেকেই স্বামীর সাথে তার কলহ লেগে থাকতো। কিছুদিন আগে তার স্বামীকে তিনি ডিভোর্স দেন। পরে মেয়েকে তার কাছ থেকে নেয়ার জন্য বিভিন্ন চাপ প্রয়োগ করা হয়। এ কারণে মানসিক হতাশায় তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।


তবে এ বিষয়ে সাইদুল ইসলামের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।


নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জান জানান, ঘটনার বিষয়ে তারা অবগত হয়েছেন এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মা ও শিশু বর্তমানে নিরাপদ রয়েছেন। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা বিষয়ে পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।